
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-
চলতি মাসের পুরো বেতন পরিশোধের দাবিতে নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন চৈতি কম্পোজিট কারখানার শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার টিপুরদী এলাকায় এ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বিক্ষোভের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং টিপুরদী থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা ও অপরদিকে মদনপুর পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ঈদযাত্রায় ঘরমুখো যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
একপর্যায়ে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।
খবর পেয়ে মহাসড়কে ছুটে আসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত,নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দিপঙ্কর ঘোষ, সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম সারোয়ার সহ পুলিশ সদস্যরা প্রায় দুই ঘন্টা প্রচেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।
শ্রমিক সুমন মিয়া বলেন, চৈতী গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ প্রতি মাসের ৭তারিখে বেতন দেওয়ার কথা থাকলেও মাস শেষ হয়ে যাচ্ছে বেতন ও ঈদ বোনাস দিচ্ছে না। বাধ্য হয়েই আমরা মহাসড়ক অবরোধ করেছি।
কারখানার জেনারেল ম্যানেজার মিজানুর রহমান বলেন,বৈশ্বিক সমস্যার কারণে আমরা কয়েক মাস যাবত বৈদেশিক বায়ার আনতে পারছি না।তবে শ্রমিকদের বেতন ভাতা আমরা সঠিক সময়ে দিয়ে যাচ্ছি।