1. admin@bangladeshbulletin24.com : admin :
সোনারগাঁয়ে সংঘটিত “ক্লুলেস আল-আমিন হত্যা” মামলার রহস্য উন্মোচন,৪ আসামি গ্রেফতার - বাংলাদেশ বুলেটিন ২৪
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
এসিল্যান্ড ও পেশকারের স্বাক্ষর জাল করে সোনারগাঁয়ে ভুয়া নামজারি-ডিসিআর তৈরি, থানায় অভিযোগ বিলকিস দেশ সেরা প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ অর্জন করেছেন দেশ সেরা শ্রেষ্ঠ ইউএনও হলেন ঢাকার এডিসি ফারজানা রহমান  সোনারগাঁয়ে ডিজিএফআই পরিচয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা দাবি, গ্রেপ্তার-২ সিলং থেকে এসে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হয়ে সংবিধান বিশেষজ্ঞ হয়েছেন…হাসনাত আবদুল্লাহ নারায়ণগঞ্জে জাপান প্রবাসীর গাড়ীতে ডাকাতী হওয়া স্বর্ণালংকার সহ ডাকাত গ্রেফতার সোনারগাঁয়ে শপিং মলে চুরির ঘটনায় গ্রেফতার-৯ সোনারগাঁয়ের বি. আর. বিলকিস বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত   সোনারগাঁয়ে ঝোপের ভিতর মিললো বিদেশি পিস্তল  মেঘনা গ্রুপের ‘ফ্রেশ’ ব্র্যান্ডের প্রায় ২৫ লাখ টাকার সয়াবিন তেল উদ্ধার,আটক-১

সোনারগাঁয়ে সংঘটিত “ক্লুলেস আল-আমিন হত্যা” মামলার রহস্য উন্মোচন,৪ আসামি গ্রেফতার

দৈনিক সংগ্রাম ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : ৩ বছর আগে
  • ১৭৪ বার পঠিত

মোঃ নুর নবী জনিঃ-নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ে সংঘটিত “ক্লুলেস আল-আমিন হত্যা” মামলার রহস্য উন্মোচন ও তদন্তে প্রাপ্ত সন্ধিগ্ধ চার আসামী র‍্যাব-১১ হাতে গ্রেফতার।

গত সোমবার রাতে র‌্যাব-১১ এর একটি চৌকস দল উপজেলার পূর্ব সনমান্দি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলোঃ-সৈয়দ হোসেন সাগর (২৮), মোঃ কবির হোসেন (৩২),মোঃ ইউসুফ (৩২),নাসিমা বেগম (৪৪),

উল্লেখ্য গত ১৭ জানুয়ারী উপজেলার হামছাদি এলাকার জমির আইলের উপর জমানো আগাছার স্তুপের মধ্য হতে আল-আমিন (২২) এর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং ৩২ তারিখ ১৭/০১/২০২৩

এবিষয়ে র‌্যাব-১১র একটি গোয়েন্দা দল ছায়া তদন্ত  করে তাদের গ্রেফতার করেন।র‍্যাব এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, আটককৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় নিহত আল-আমিন (২২)
মুলত এলাকায় চুরি এবং ছিনতাই কাজে জড়িত ছিলো। তার এই কাজের জন্য তার পরিবারকে প্রায় সময়ই বিব্রত হতে হয় এবং বারংবার জরিমানা দিতে হয়। এই নিয়ে গ্রামে স্থানীয় মেম্বারকে নিয়ে একাধিকবার সালিশ হয়। তার এর আচরণের জন্য প্রায় সময়ই তার পরিবার তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতো। গত ৯ জানুয়ারী সে শিকল খুলে পালিয়ে গেলে তাকে আর খুঁজাখুঁজি করে পাওয়া যায়নি। আল-আমিন পালিয়ে যাওয়ায় তার পরিবার ও তার প্রতিবেশীরা পুনরায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটতে পারে ভেবে ভিকটিমের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়। র‌্যাব-১১ এর ছায়া তদন্তের এক পর্যায়ে তদন্ত কাজে ভিকটিমের পরিবারের অনিহা এবং অসহযোগিতা পরিলক্ষিত হলে ভিকটিমের বড় ভাই ইউসুফকে সন্দেহ হয় ও তাকে র‌্যাব-১১র সদর দপ্তরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে উক্ত হত্যাকান্ডের ব্যাপারে বেশ কিছু গুরুত্বপূূর্ণ তথ্য প্রদান করে।

তার বক্তব্যমতে, ভিকটিম চুরি ও ছিনতাই এর কাজে জড়িত থাকার কারণে তার প্রতি বিক্ষুব্ধ হয়ে ভিকটিমের চাচাতো ভাই সৈয়দ হোসেন সাগর, ভিকটিমের প্রতিবেশী কবির এবং জহির তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। এরই প্রেক্ষিতে গত ১০ জানুয়ারী সন্ধ্যায় ভিকটিমকে তার বাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ফসলের মাঠে সৈয়দ হোসেন সাগর, কবির এবং জহির গামছা দিয়ে মুখ বেধে মারধর করছে বলে ভিকটিমের মা জানতে পারে। বিষয়টি ভিকটিমের মা তার বড় ছেলে ইউসুফকে জানালে ইউসুফ ঘটনাস্থলে আসে এবং তার ভাইকে মারধর না করতে অনুরোধ করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের বড় ভাই ইউসুফ মুগড়াপাড়া পুরাতন সেবা ক্লিনিক এলাকায় নাইট ডিউটির কাজ করে বিধায় সে তার কর্মস্থলে ফিরে আসে। সে রাতেই ভিকটিমের মা ইউসুফকে আবার ডাকলে সে ঘটনাস্থলে পুনরায় যায় এবং সেখানে তার মা ও তার মামা শহীদুল্লাহ এবং সৈয়দ হোসেন সাগর, জহির এবং কবিরকে দেখতে পায়। ইউসুফ তার মাকে তার ভাই আল-আমিনের কথা জিজ্ঞাসা করলে সে জানতে পারে যে আল-আমিনকে সৈয়দ হোসেন সাগর, কবির এবং জহির মিলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে জমির আইলের উপরে রাখা আগাছার স্তুপের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছে। ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ইউসুফ, তার মা ও মামাকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ এব্যাপারে মুখ খুললে তাদেরকেও হত্যা করবে বলে হুমকি দেয়। তাছাড়া গত ১৭ জানুয়ারী আলআমিনের লাশ উদ্ধারের পর মামলা করতে গেলে সৈয়দ হোসেন সাগর ভিকটিমের পরিবারকে মামলা না করতে এবং উক্ত মামলার তদন্তে কোন প্রকার সহযোগিতা না করতে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা