1. admin@bangladeshbulletin24.com : admin :
সোনারগাঁয়ে পশু হাসপাতালের কম্পাউন্ডারই চিকিৎসক! ভিজিট নেন ৫শত থেকে দুই হাজার   - বাংলাদেশ বুলেটিন ২৪
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন

সোনারগাঁয়ে পশু হাসপাতালের কম্পাউন্ডারই চিকিৎসক! ভিজিট নেন ৫শত থেকে দুই হাজার  

দৈনিক সংগ্রাম ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : ১ বছর আগে
  • ১৪৯ বার পঠিত
Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ– নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা পশু হাসপাতালের কম্পউন্ডার রাজিব চন্দ্র। যার দায়িত্ব হাসপাতালে ডিউটি করা এবং চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী অসুস্থ পশুকে ঔষধ প্রয়োগ করা। এ ছাড়া প্রাথমিক পরামর্শ দিতে পারবেন বলে জানা গেছে। কিন্তু কম্পাউন্ডার রাজিব চন্দ্র তার যে দায়িত্ব তা সঠিক ভাবে পালন না করে টাকার বিনিময়ে পশুর চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। হাসপাতালে অফিস চলাকালে কোন ধরণের টাকা নেয়ার নিয়ম না থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন যাবত এ কাজ করে যাচ্ছেন। যে কেউ পশু নিয়ে হাসপাতালে আসলেই তার কাছে ছুটে যান রাজিব চন্দ্র। কন্টাক্ট করে শুরু করেন পশুর চিকিৎসা। অনেক ক্ষেত্রে ইনজেকশন না লাগলেও তিনি টাকা কামানোর ধান্ধায় পশুকে ইনজেকশন দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজেই সরকারী লগো সম্বলিত প্যাডে ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন। এ কাজ করতে গিয়ে তার অপচিকিৎসায় একাধিক প্রাণী মারা যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, অফিসের বাহিরে গিয়ে চিকিৎসা দেওয়া তো দূরে থাক অফিসের বাহিরে যাওয়ারও তার নিয়ম নেই। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে তিনি যেখান থেকেই খবর পান সেখানেই চিকিৎসা দিতে ছুটে যান। বিনিময়ে হাতিয়ে নেন মোটা অংকের টাকা। এসবের পিছনে তার একমাত্র উদ্দেশ্য টাকা ইনকাম করা।

এ ধরণের অনিয়মের প্রমাণ পেয়ে জেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা কম্পাউন্ডার রাজিব চন্দ্রকে  শোকজ করার নির্দেশ দেন। নির্দেশ পেয়ে তৎকালীন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ ইউসুফ হাবিব শোকজ দেওয়ার পরও তিনি কাউকে তোয়াক্কা করছেন না।

হাসপাতালে পশুর চিকিৎসা নিতে গিয়ে কম্পাউন্ডার রাজিব চন্দ্রের অপচিকিৎসার শিকার হয়ে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে উপজেলার জৈনপুর গ্রামের শাহেদ আলী। তার কাছ থেকে চিকিৎসা দিয়ে ৩৫ হাজার টাকার ওষুদ দেন। তারপরও তার পশুর রোগ ভাল হয়নি।

চিকিৎসা দিয়ে লোক বুঝে কারো থেকে ৫শ, থেকে দুই হাজার পর্যন্ত টাকা ভিজিট নেন কম্পাউন্ডার রাজিব চন্দ্র। এ ছাড়া প্রতিদিন তার অফিসে ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে হাতিয়ে নেন বিপুল অংকের টাকা। টাকা দিলেই যে কোনো কোম্পানীর ঔষধ লিখেন তিনি। এ ধরণের অনিয়ম দূর্নীতিবাজ কম্পাউন্ডার রাজিব চন্দের বিচার চেয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাজিব চন্দ্র দাস বলেন, আমি প্যাড ব্যবহার করছি এ কথা সত্য তবে আমি কোথাও ডাক্তার উল্লেখ করিনি। ওষুদের টাকা নিয়েছি কোনো ভিজিট নেইনি।

সোনারগাঁ উপজেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোছাম্মদ নইফা বেগম বলেন, কমপাউন্ডার রাজিব চন্দ্র দাস প্রাথমিক পরামর্শ দিতে পারেন। সরকারী প্যাড ব্যবহার করে চিকিৎসা দেওয়া সম্পূর্ন বেআইনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা