
মোঃ নুর নবী জনিঃ-
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা অত্যন্ত সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করা হবে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর)নারায়ণগঞ্জের বন্দর লক্ষ্মণখোলা ঢাকেশ্বরী মন্দিরসহ একাধিক পূজা মণ্ডপে পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, পূজার ষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে। আনসার, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি এবং সেনাবাহিনী নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে। প্রতিটি পূজা মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা হিসেবে জেনারেটর রাখতে হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, “দুর্গাপূজা ঘিরে কোনো গুজব বা ছোটখাটো ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পূজা চলাকালীন শুধু আজান ও নামাজের সময় বাদ্যযন্ত্র বন্ধ রাখতে হবে।
এসময় জেলা প্রশাসক সকলকে ধর্মীয় সম্প্রীতি, শান্তি ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রেখে আনন্দমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপনের আহ্বান জানান।
এসময় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসককে পূজা প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণে এই উদ্যোগকে ভুয়সী প্রশংসা করেন।
তারা জানান, অতীতে পূজা চলাকালীন সময়ে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেও পূজার আগে জেলা প্রশাসকের এভাবে মাঠে নামা এটাই প্রথম।
পূজা মণ্ডপে পরিদর্শনকালে দীর্ঘ সময় মন্দির কর্তৃপক্ষ ও আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক প্রস্তুতির খোঁজ-খবর নেন তিনি।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক পূজা মণ্ডপে নারী-পুরুষ পূজার্থীদের আসন বিন্যাস, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, প্রতিমা নির্মাণের অগ্রগতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুঁটিনাটি জিজ্ঞেস করেন।
উল্লেখ্য এবার সরকারিভাবে প্রতিটি মণ্ডপে ৫০০ কেজি করে চাল এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ থেকে অসচ্ছল মণ্ডপগুলোকে মোট ২০ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক।