1. admin@bangladeshbulletin24.com : admin :
ঘুষ-দুর্নীতির আখড়া সোনারগাঁয়ের আমিনপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস - বাংলাদেশ বুলেটিন ২৪
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
এসিল্যান্ড ও পেশকারের স্বাক্ষর জাল করে সোনারগাঁয়ে ভুয়া নামজারি-ডিসিআর তৈরি, থানায় অভিযোগ বিলকিস দেশ সেরা প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ অর্জন করেছেন দেশ সেরা শ্রেষ্ঠ ইউএনও হলেন ঢাকার এডিসি ফারজানা রহমান  সোনারগাঁয়ে ডিজিএফআই পরিচয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা দাবি, গ্রেপ্তার-২ সিলং থেকে এসে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হয়ে সংবিধান বিশেষজ্ঞ হয়েছেন…হাসনাত আবদুল্লাহ নারায়ণগঞ্জে জাপান প্রবাসীর গাড়ীতে ডাকাতী হওয়া স্বর্ণালংকার সহ ডাকাত গ্রেফতার সোনারগাঁয়ে শপিং মলে চুরির ঘটনায় গ্রেফতার-৯ সোনারগাঁয়ের বি. আর. বিলকিস বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত   সোনারগাঁয়ে ঝোপের ভিতর মিললো বিদেশি পিস্তল  মেঘনা গ্রুপের ‘ফ্রেশ’ ব্র্যান্ডের প্রায় ২৫ লাখ টাকার সয়াবিন তেল উদ্ধার,আটক-১

ঘুষ-দুর্নীতির আখড়া সোনারগাঁয়ের আমিনপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস

দৈনিক সংগ্রাম ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : ২ বছর আগে
  • ১২৫ বার পঠিত
Oplus_0

সোনারগাঁ প্রতিনিধিঃ– নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ উপজেলার আমিনপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) উম্মে রুমানা করিমের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। পদে পদে ঘুষ-দুর্নীতির কারণে এখানে অনিয়মই যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন সেবাপ্রার্থীরা।

সম্প্রতি তার নিজ দপ্তরে বসে সেবাগ্রহীতাদের থেকে অতিরিক্ত অর্থ (ঘুষ) গ্রহণের একটি ভিডিও ও ছবি সামাজিক  মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এলাকাবাসী। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি তার দপ্তরে বসে প্রকাশ্যে সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের থেকে নগদ অর্থ গ্রহণ করছেন। আর তাকে সহযোগিতায় রয়েছেন মোজাম্মেল ও মামুন নামের দুজন ওমেদার ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উম্মে রোমানা করিম এই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। অভিযোগ রয়েছে, জমির মাঠপর্চা নিতে এই ভূমি অফিসে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা দিতে হয়। আর কর্মকর্তার সবচেয়ে বড় দুর্নীতির জায়গা হল জমির মিউটিশন করা ও খাজনা কাটানো। জমি ক্রয় করার পরে প্রত্যেক জমির মালিককেই বাধ্যতামূলক জমির রেকর্ড (মিউটিশন) করতে হয়। সরকারি ধার্য অনুযায়ী মিউটিশন ফি ১১৭৫ টাকা। কিন্তু ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা উম্মে রোমানা করিম জমির মালিকদেরকে বিভিন্নভাবে এটা ওটা বুঝিয়ে হয়রানি করে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকার চুক্তি করেন জমির মিউটিশনের জন্য। ১০ টাকা খাজনার জন্য গুনতে হয় ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা। জমির মালিকেরা নিরুপায় হয়ে কর্মকর্তার ফাঁদে পা দিয়ে হাজার হাজার টাকা গচ্ছা দেয়।

মতিন নামে এক ভুক্তভোগী বলেন, এখানে কম ঘুষে বেশি ঘোরাঘুরি, বেশি ঘুষে কাজ তাড়াতাড়ি। আমি বাড়ির জমির খাজনা দিতে এসেছিলাম। আমার থেকে খাজনার রশিদে উল্লিখিত টাকার থেকে বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে।

আদমপুর বাজার এলাকার ইউনুছ মাদবর নামে একজন বলেন, আমাকে আমার বাবা জমি দলিল করে দিয়েছে, সেই জমি মিউটেশন করতে এসেছি। তিনি আমার থেকে ৭ হাজার টাকা নিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক ভুক্তভোগী বলেন, গত দুই মাস আগে আমি জমির খাজনা দিতে আমিনপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে ভূমি কর্মকর্তা আমাকে ১৫০ টাকার একটি খাজনার চেক কেটে দিয়ে ২ হাজার টাকা নিয়েছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, আমিনপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দুর্নীতি এমন চরমে পৌঁছেছে। সরকারি নীতিমালার বাইরে চুক্তি অনুযায়ী মোটা অঙ্কের ঘুষ ছাড়া কোনো নামজারি হয় না। নামজারির জন্য ১০ হাজার থেকে মোটা অঙ্ক আদায় করা হয় উপজেলা ভূমি অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন স্তরে ভাগ দেওয়ার কথা বলে।

আমিনপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা উম্মে রোমানা করিমের কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি গ্রাহকদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে সোনারগাঁ উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা সালেহা নূর বলেন, আমাদের কাছে এর আগেও আমিনপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা উম্মে রোমানা করিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে। তদন্ত শেষে দ্রুত তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা